করোনায় কমেছে লিপিস্টিকের ব্যবহার

18
Smiley face

করোনার জন্য মুখে মাস্ক থাকার কারনে কমেছে লিপিস্টিকের ব্যবহার। সেই সাথে কমেছে দামও!

মেয়েরা সারা জীবনে চার কেজির মতো লিপিস্টিক খায় । সংখ্যার হিসাবে ছয়শো লিপিস্টিক প্রায় ! ঠোঁটে যা লিপিস্টিক লাগায় তার একটা অংশ জিব দিয়ে চেটে নেয়, আরেকটি অংশ খাবারের সাথে পেটে চালান হয় ।

সবচেয়ে বেশি চুরি হওয়া আইটেমের মধ্যে লিপিস্টিক পৃথিবীতে প্রথম ! কে চুরি করে, সেটা আর নাইবা বলা !

প্রসাধন সামগ্রী হিসাবে লিপিস্টিকের ব্যবহার পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো । যদিও আধুনিক কমার্শিয়াল লিপিস্টিক বাজারে প্রথম আসে 1880 ।

পশ্চিমে একটি মেয়ে সারা জীবনে গড়ে তিন হাজার ডলার খরচ করে লিপিস্টিকের পেছনে ! তবে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি লিপিস্টিক Guerlain’s KissKiss Gold, একটির দাম : ৬০ হাজার ডলার !

একসময় ছেলে এবং মেয়ে, দু পক্ষই লিপিস্টিক পরতো ! আফ্রিকান কিছু গোত্র এবং ফারাওর আমলে মিশরীয় পুরুষরাও মহিলাদের মতো লিপিস্টিক পরতো । কারণ ছিল – ঠোঁটের এই রং ছিল স্ট্যাটাসের প্রতীক । আপনি কোন রং ব্যবহার করতে পারছেন ঠোঁটে, তা দিয়ে আপনার সামাজিক অবস্থান জানা যেত । লাল, বেগুনি, কমলা এবং কালচে নীল, চারধরনের লিপস্টিকের রঙ তারা ব্যবহার করতো ।

কিন্তু প্রাচীন গ্রিসে লিপিস্টিক দেয়া ছিল উল্টো । সমাজের উঁচু তলার মহিলারা লিপিস্টিক পরতো না । কারণ এটি নিচু পেশার বা কাজের লোকেরা পরতো । যেমন : নিয়ম ছিল প্রস্টিটিউটদের লিপিস্টিক পরতে হতো আইনত নিজেদেরকে সেই পেশার চিহ্নিত করতে ! তবে রোমান সময়ে তা আবার উল্টে যায় । তখন লিপিস্টিক মেয়েদের উঁচু স্ট্যাটাসের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় ।

ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে – লিপিস্টিক ছাড়া একজন নারীর দিকে পুরুষ গড়ে ২.২ সেকেন্ড তাকায় মাত্র । কিন্তু লিপিস্টিক সহ থাকলে গড়ে ৬ সেকেণ্ড তাকায় ! তারমধ্যে রেড লিপিস্টিক পুরুষের চোখে সবচেয়ে আকর্ষণীয় । মেয়েরা রেড লিপিস্টিক পরলে ছেলেরা গড়ে আট সেকেণ্ড তাকিয়ে থাকে !

ভাগ্যিস লিপস্টিক পড়ি না তাই ছেলেদের নজর থেকে বেচে গেলাম


Smiley face