পরিবেশের নাম ভাঙ্গিয়ে দূর্নীতি, ভুয়া কর্মকর্তা সন্দেহে চার জন গ্রেপ্তার

35
Smiley face

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের বস্তল এলাকায়, নির্মাণাধীন একটি স্টীল কম্পানিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকতা পরিচয়ে অভিযানকালে ভুয়া তিন কর্মকর্তাসহ মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বস্তল এলাকায় এ্যাম্পেয়ার স্টীল কম্পানিতে অভিযানকালে সন্দেহ হলে তাদেরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস এবং এক ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সকালে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পূর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের জমিরউদ্দীন মন্ডলের ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম মানিক, ডেমরার রামৈল গ্রামের জমির আলীর ছেলে কামরুজ্জামান ও নাটোর জেলার নালপুর উপজেলার গন্ডবিল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে সাইফুল ইসলাম সেন্টু এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার জাঙ্গালিয়া পাড়া গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. সরাফ মিয়া।

জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বস্তল এলাকায় এ্যাম্পেয়ার স্টীল কম্পানিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কম্পানির ভিতরে প্রবেশ করেন এবং এসময় ওই কম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চান।

তাছাড়া বিষয়টি সমাধানের জন্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন তারা। কর্মচারীরা বিষয়টি এ্যাম্পেয়ার স্টীল কম্পানির মালিক আবুল কালামকে অবগত করেন। তাদের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে কম্পানির লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ- অঞ্চল) মো. বিল্লাল হোসেন এবং তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ভুয়া কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ( ঢাকা মেট্রো- ১১-৭৫৪৬) ও গাড়ি থেকে এক ক্যান বিয়ার উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে এ্যাম্পেয়ার স্টীল কম্পানির কর্মচারী আলী আকবর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া পুলিশের পক্ষ হতে একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কম্পানিতে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে চাঁদা দাবি এবং মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


Smiley face