কণ্ঠরোধের নতুন বৈশ্বিক অস্ত্র পেগাসাস

5
Smiley face

খাদিজা ইসমাইলোভা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২০০ সাংবাদিকের মধ্যে একজন, যাঁদের স্মার্টফোনে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে নজরদারি চালানো হয়েছে। পেগাসাস স্পাইওয়্যারের নির্মাতা ইসরায়েলি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপ। পেগাসাস ব্যবহার করে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বা চেষ্টা করা হয়েছে এমন ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বরের তথ্যভান্ডার পেয়েছিল প্যারিসভিত্তিক অলাভজনক সংবাদ সংস্থা ফরবিডেন স্টোরিজ। পরে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতা নিয়ে ওই নম্বরগুলো ধরে অনুসন্ধান চালায় বিভিন্ন দেশের ১৭টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। কয়েক মাস ধরে চলা এ অনুসন্ধানে যুক্ত ছিলেন ৮০ জনের বেশি সাংবাদিক। কিছু নম্বর নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাইবার সিকিউরিটি ল্যাবে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপের অন্তত ১০টি গ্রাহক সংস্থা ২০টি দেশের ১৮০ জন সাংবাদিকের ফোন নম্বর লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব গ্রাহকের মধ্যে বাহরাইন, মরক্কো ও সৌদি আরবের মতো কর্তৃত্ববাদী দেশ থেকে শুরু করে আছে যুক্তরাজ্য, ভারত ও মেক্সিকোর মতো গণতান্ত্রিক দেশের সরকারি সংস্থাও। এই নজরদারি ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে, ইউরোপের হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে শুরু করে আফ্রিকার টোগো ও রুয়ান্ডার মতো সব দেশেই তা করা হয়েছে। নজরদারির আওতায় শুধু সাংবাদিক নন, রয়েছেন রাজনৈতিক নেতা, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নির্বাহী, ধর্মীয় নেতা, গবেষক, এনজিও কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা। এমনকি কোনো কোনো দেশের ক্ষমতাসীন পরিবারের সদস্য, সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ওপরও নজরদারি চালানো হয়েছে।

স্মার্টফোনে আড়ি পাতার এই ঘটনা গত রোববার একযোগে প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়াশিংটন পোস্ট ও ভারতের ওয়্যারসহ বিশ্বের ১৭টি সংবাদমাধ্যম। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ৫০টির বেশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্মার্টফোনে আড়ি পাতা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত দেশগুলোর সামরিক বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থা সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষকে নজরদারির জালে আটকেছে। গোপনীয়তার নীতিমালা অনুযায়ী, সফটওয়্যারটির নির্মাতা এনএসও গ্রুপ গ্রাহকের তথ্য প্রকাশ করে না। তবে ওই সফটওয়্যার ব্যবহার করে যেসব দেশের ফোন থেকে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই তালিকায় বাংলাদেশেরও নাম রয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাইবার সিকিউরিটি ল্যাব পরিচালনাকারী ক্লডিও গার্নিয়েরি বলেছেন, একবার কোনো ফোনে (স্মার্টফোন) পেগাসাস স্পাইওয়্যার ঢুকে গেলে এনএসওর গ্রাহক পুরো ফোনের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যালের মতো এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপের বার্তাগুলোও পড়তে পারে।

এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করেই আজারবাইজানের সাংবাদিক খাদিজা ইসমাইলোভার স্মার্টফোনে প্রায় তিন বছর ধরে আড়ি পাতা হচ্ছিল। অনুসন্ধানে বিষয়টি ধরা পড়ার পর এই সাংবাদিক বলেছেন, এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে এত দিন যেসব বার্তা পাঠিয়েছেন, সেগুলোর জন্য এখন তাঁর অপরাধবোধ হচ্ছে। সেই সব সোর্সের জন্য নিজেকে অপরাধী লাগছে যাঁরা ভেবেছিলেন স্মার্টফোনে এনক্রিপটেড (বার্তা আদান–প্রদানে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া অন্য কারও না দেখার ব্যবস্থা) বার্তা নিরাপদ। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁকে যাঁরা নিজেদের গোপন কথা বলেছেন, তাঁরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপ

এনএসও গ্রুপ হলো ইসরায়েলের তেল আবিবভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমান বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্পাইওয়্যার নির্মাতাদের অন্যতম তারা। তাদের পেগাসাস স্পাইওয়্যার এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে সেটা সহজেই আইফোন ও অ্যানড্রয়েড ফোনে ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানির ৪০ দেশে ৬০টি গ্রাহক রয়েছে। গ্রাহকদের সব কটিই সরকারি সংস্থা। বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাসে অফিস রয়েছে এনএসওর। গত বছর তাদের আয় ছিল ২৪ কোটি ডলারের বেশি। এই কোম্পানির বেশির ভাগ মালিকানায় রয়েছে লন্ডনভিত্তিক বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নোভালপিনা ক্যাপিটাল।

স্পাইওয়্যার যেসব তথ্য হাতিয়ে নেয়

স্পাইওয়্যার হলো একটি ম্যালওয়ার, যেটা কোনো ব্যক্তির অগোচরে তাঁর কম্পিউটার, ফোন বা অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। আধুনিক প্রযুক্তির স্পাইওয়্যার সাধারণত আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ব্যবহার করে। বর্তমান বিশ্বে ব্যয়বহুল এই প্রযুক্তির বড় বাজার রয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি সংস্থার পাশাপাশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রও এসব স্পাইওয়্যার ব্যবহার করছে বলে ধারণা করা হয়।

যেসব ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাঁদের ই–মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, কল রেকর্ড, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ ও সিগন্যালের মতো এনক্রিপটেড অ্যাপে আদান-প্রদান করা বার্তাও হাতিয়ে নেয় স্পাইওয়্যার। এর মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অবস্থান ও চলাচলের তথ্যও বেরিয়ে আসে। এর মাধ্যমে ফোনে কার কার নম্বর রয়েছে, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, নোট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট হাতিয়ে নেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ছবি, ভিডিও ও সাউন্ড রেকর্ডিং। সবচেয়ে আধুনিক স্পাইওয়্যার ফোন ব্যবহারকারীর অগোচরেই মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা চালু করে দেয়। গোপনেই কথোপকথন রেকর্ড করা শুরু করে দেয়।

সমাজের সব স্তরে নজরদারি

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, ফ্রান্স ২৪, ইকোনমিস্ট, এপি ও রয়টার্সের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদক, সম্পাদক ও নির্বাহীদের ফোন নম্বর রয়েছে ফাঁস হওয়া ওই নম্বরের তালিকায়।

স্মার্টফোনে আড়ি পাতার ঘটনা একযোগে প্রকাশের ভূমিকায় ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদক স্যালি বুজবি বলেছেন, ‘আমাদের সমাজের সব স্তরে ডিজিটাল নজরদারি ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন প্রযুক্তিগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি বিষয়ে নজর রাখার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে। প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিপদ অতীতের যেকোনো সময়ে চেয়ে এখনই বেশি।’

পাঠকদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে স্যালি বুজবি জানিয়েছেন, যেসব ফোন নম্বর পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে এক হাজারের বেশি নম্বর ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অনুসন্ধান দলের সাংবাদিকেরা। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৮৫ জন মানবাধিকারকর্মী, ৬৫ জন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নির্বাহী, আরব রাজপরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য, ১৮৯ জন সাংবাদিক এবং ৬০০ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতা রয়েছেন। এসব ব্যক্তি ৫০টির বেশি দেশের নাগরিক। সাংবাদিকদের তালিকায় অনেক অনুসন্ধানী প্রতিবেদক রয়েছেন, যাঁরা সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

ভারতে তোলপাড়

কোন কোন দেশে কাদের স্মার্টফোনে আড়ি পাতা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত বলেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে এই অনুসন্ধান দলে থাকা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওয়্যার তাদের দেশে সম্ভাব্য নজরদারির তালিকায় থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেছে। সেই তালিকায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ ও পানিসম্পদ ও খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ প্রতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতার দল তৃণমূলের পক্ষে নির্বাচনী পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রশান্ত কিশোরের নাম রয়েছে। এ ছাড়া ৪০ জন সাংবাদিকসহ সম্ভাব্য নজরদারির ৩০০ ফোন নম্বর ওয়্যারের হাতে এসেছে। তারা বলছে, তথ্য বিশ্লেষণে এসব নম্বরের বেশির ভাগকেই ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ওয়্যার জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া ফোন নম্বরের তালিকায় তাঁদের দুজন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রয়েছেন। এ ছাড়া আছেন একজন কূটনৈতিক প্রতিবেদক এবং দুজন নিয়মিত প্রদায়ক। তাঁদের মধ্যে আছেন রোহিনী সিং, যিনি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ছেলে জয় শাহ ও ব্যবসায়ী নিখিল মার্চেন্টের ব্যবসা নিয়ে একের পর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত নিখিল। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সন্দেহজনক লেনদেন নিয়েও অনুসন্ধান করেছিলেন রোহিনী সিং।

তালিকায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সাবেক সাংবাদিক সুশান্ত সিংয়ের ফোন নম্বরও রয়েছে। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তাঁর ফোন নম্বর তালিকায় যুক্ত হয়। এ সময় তিনি বিতর্কিত রাফাল যুদ্ধবিমান কেনায় সম্ভাব্য দুর্নীতির অনুসন্ধান করছিলেন।

ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আড়ি পাতার বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে অমিত শাহর ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্যসভার সদস্য সুব্রামানিয়ান স্বামী। এদিকে সোমবার ভারতের পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতেও এ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ রাজ্যসভা ও লোকসভায় স্মার্টফোনে আড়ি পাতাসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে বিরোধীদের প্রতিবাদে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

নিশানায় সাংবাদিক খাসোগির নিকটজনেরা

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের রোষের মুখে পড়ে প্রাণ হারানো সাংবাদিক জামাল খাসোগির নিকটজনদের ওপরও নজরদারি চালানো হয়েছিল ইসরায়েলি এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে। অ্যামনেস্টির ল্যাবে যেসব ফোন নম্বরের ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে খাসোগির স্ত্রী হানান এলাতার এবং তাঁর বাগ্‌দত্তা হেতিজে চেঙ্গিসের স্মার্টফোনে আড়ি পাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটের ভেতরে খাসোগিকে হত্যা করা হয়। তাঁর মরদেহ কোথায় ফেলে দেওয়া হয়, তার হদিস এখনো মেলেনি। খাসোগিকে হত্যার আগে ও পরে তাঁর স্ত্রী ও বাগ্‌দত্তার স্মার্টফোনে নজরদারি চালানো হয় বলে ফরেনসিক বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে।

নজরদারি বন্ধে পদক্ষেপ নিন

এনএসও গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, সাধারণ মানুষের স্মার্টফোনের তথ্য হাতিয়ে নিতে এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয় না। শুধু সন্দেহভাজন অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির ওপর এটা দিয়ে নজরদারি করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সংবাদমাধ্যমের ওপর নজরদারি বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, এই প্রতিবেদন দেখিয়েছে, শুধু অপরাধ ও সন্ত্রাস দমন নয়, ব্যক্তিস্বাধীনতা লঙ্ঘনে এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই এর অপব্যবহার বন্ধে সরকার ও কোম্পানিগুলোকে কাজ করতে হবে।

সূত্র: গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট, ফরবিডেন স্টোরিজ, ওয়্যার


Smiley face