গরু প্রেমীদের মিলন মেলা ঘুম নেই আয়োজকদের চোখে

417
Smiley face

আসছে ১১ ডিসেম্বর ঢাকার জাতীয় সংসদ সচিবালয় এলডি ভবনে আয়োজিত সারা বাংলাদেশের গরুর খামারের নিয়ে গরু প্রেমীদের মিলন মেলা কে কেন্দ্র করে ঘুম নেই আয়োজকদের চোখে।

মিলন মেলাকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশের গরু পাগল ও গরুর খামারিদের মধ্যে বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা, আনন্দ ও উদ্দীপনা। ইতিমধ্যে সারা বাংলাদেশের শতশত খামারিদের হাতে পৌঁছে গেছে মেলায় অংশগ্রহণ করার রেজিষ্ট্রেশন টিকিট। এদিকে মেলাকে কেন্দ্র করে যেন দু’চোখে ঘুম নেই আয়োজকদের। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেলার যাবতীয় কাজকর্ম নিয়ে যেন দিনরাত কাটছে তাদের। দিনরাত পরিশ্রম করে সারাদেশের গরুর খামারিদের নিয়ে সুন্দর একটি ইভেন্ট উপহার দেওয়ার জন্য তাদের মূল লক্ষ্য।

গরু প্রেমীদের বিজয় মেলা নিয়ে কথা হয় আয়োজকদের মুখপাত্র মিডিয়া উইং কাজী মশিউর রহমান মারুফের সাথে,  তিনি বলেন সারা বছর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খামারিরা অনেক কষ্ট পরিশ্রম করে গরু লালন পালন করেন। তাদের সবাইকে একটি দিন ঢাকায় এনে আনন্দ, বিনোদনের মাধ্যমে এক খামারি অপর খামারির সাথে পরিচয় ও সৌহার্দ্যপূর্ন সম্পর্ক স্হাপনই হচ্ছে এই মেলার মূল লক্ষ্য। মারুফ আরও বলেন, ইতিমধ্যে আমরা সারাদেশে সকল খামারিদের হাতে টিকিট পৌঁছে দিতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন একটি ভালো ইভেন্ট উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে সকলে একসাথে কাজ করে যাচ্ছি। সকলের দোয়া চাই।

মেলায় খামারিরা নিজ খরচে আসবেন যাবেন। পাশাপাশি মেলায় অংশগ্রহণের জন্য নাস্তা ও খাবার সহ যাবতীয় খরচ বাবদ ৫০০ টাকার একটি রেজিষ্ট্রেশন টিকিট দেয়া হয়েছে। এবং মেলার আকর্ষণকে বাড়িয়ে তোলার জন্য রয়েছে একশোটির ওপর পুরুস্কার। প্রতিটি পুরুস্কারই অত্যান্ত মূল্যবান।

বিজয় মেলা সম্পর্কে রাজশাহীর প্রান্তিক খামারি দুর্গাপুর বিসমিল্লা ডেইরি ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী সাজ্জাদ আলী জানান, তিনি দীর্ঘদিন যাবত গরু পালন পালন করলেও এ ধরনের বিজয়মেলায় কখনো অংশগ্রহণ করেন নাই। বাংলাদেশের সকল খামারিরা একসাথে এক জায়গায় মিলিত হবে এটা জেনে তিনি ভীষণ আনন্দিত। বগুড়ার খামারি স্বজন এগ্রোর মালিক বেনজামিন মেহেদী বলেন, সারা দেশের খামারিদের নিয়ে এমন একটি আয়োজন করায় সত্যিই আমরা গর্বিত। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বিজয়মেলায় টিকিটের স্বল্পতা থাকলেও পরবর্তীতে বিষয়টি আমলে আনবেন বলে জানান আয়োজকরা। বিজয় মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন, সিনিয়র খামারি মোহাম্মাদ ইমরান হোসেন এবং আলী শাহিন সামী।

 


Smiley face