পদ্মার ভাঙনের মুখে বিদ্যালয়

28
Smiley face

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:  রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙছে পদ্মার পাড়। ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি-গাছপালা। ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে চরকালীদাসখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।
সাম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়,ভাঙন থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে দাঁড়িয়ে আছে বিদ্যালয়টি। যে কোনো সময় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে আগের ঠিকানা হারাবে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলের ওই বিদ্যালয়টি। ১৯৮৩ সালে কালিদাশখালী মৌজায়.৫০ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৮ সালে একতলা ও ২০১১ সালে দোতলা পাঁকা ভবন নির্মাণ করা হয়।


স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ থেকে পানি বাড়তে থাকে। এর সাথে শুরু হয় ভাঙন। এতে চকরাজাপুর চরের আনোয়ার হোসেন শিকদার, নুরুল ইসলাম, আসলাম আলী শেখ, সাইদুর রহমান, ইকবাল হোসেন, গজল হোসেন, আবুল খায়ের, মোহাম্মদ আলী, সাইফুল ইসলামেরসহ শতাধিক বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এসব জমিতে আমবাগান, কুলবাগান, পেয়ারাবাগান ও সবজির আবাদ ছিল। গত কয়েক বছরের ভাঙনে হারিয়ে গেছে চকরাজাপুর মৌজার চিহ্ন। চকরাজাপুরের নাম থাকলেও জায়গা জমি সব নদীর মধ্যে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেলিনা পারভীন বলেন, তার স্কুলে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ২০৯ জন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের আজিজুল আযম বলেন,বিদ্যালয়ের সাত কক্ষবিশিষ্ট দোতলা ভবনটি স্থানান্তরের জন্য কয়েকদিন আগে টেন্ডার দেয়া হয়েছিল। প্রথমবার কেউ এগিয়ে আসেননি। দ্বিতীয়বার আবার টেন্ডারের আহ্বান করা হবে। চেয়ারম্যান জানান, ভাঙনে তারও ৩০ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন রেজা বলেন, নদীভাঙন ও বন্যার পরিস্থিতি পরিদর্শন করে বিদ্যালয়টির অবস্থা দেখেছেন। এখন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা চলছে।


Smiley face