রাজশাহীতে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্বাস্থ্যের ডিজি

25
Smiley face

রাজশাহী- প্রায় পাঁচ বছর ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এ ঘটনার জন্য সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর এবিএম খুরশীদ আলম।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচ বছর ধরে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেয়া হয় না। এ অভিযোগ শুনলাম। এজন্য যদি আমি দায়ী হই তাহলে আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে দুঃখিত এবং ক্ষমা চাই।

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, গণমাধ্যমকে দূরে রেখে রাষ্ট্রের কোনো কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করা যাবে না। এখন দেশের মিডিয়া শক্তিশালী একটি গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকরা আমাদেরও সহযোদ্ধা।

প্রফেসর এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, সাংবাদিকরা সরকারের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন তুলে না ধরলে জনগণ কিছুই জানতে পারবে না। আমরা যতই বলি না কেন, তা জনগণ বিশ্বাস করবে না। স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে সাংবাদিকরা যখন গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন, তখনই জনগণ সবকিছু জানতে পারবেন। আমি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে এ মুহূর্তে নির্দেশ দিচ্ছি– তিনি যেন মিডিয়াকে উপেক্ষা না করে চলেন। মিডিয়াকে সঙ্গে নিয়েই যেন কাজ করেন। সাংবাদিকদের যেন তিনি তাদের পেশাগত কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করেন। মহাপরিচালক হিসেবে আমি নির্দেশ দিচ্ছি, সাংবাদিকরা এখন থেকে হাসপাতালের নিয়ম মেনে ভেতরে ঢুকে পেশাগত কাজ করতে পারবেন। কেউ বাধা দিলে আমি বিষয়টি দেখব।

এসময় তিনি আরো বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা রোগের চিকিৎসায় ভাল কাজ করছে। ঢাকার অনেক হাসপাতালের চেয়ে এখানকার ব্যবস্থাপনা ভাল। অন্যান্য রোগের চিকিৎসা এবং অপারেশন আগের চেয়ে একটু কমলেও বেশ ভাল হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, করোনার টিকার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী বা স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেবেন। তবে টিকা আবিষ্কার হলে বাংলাদেশ যাতে সঙ্গে সঙ্গে পেতে পারে সে হোমওয়ার্ক আমরা করছি। টিকা আবিষ্কার হলে আমরাও পাব।

মতবিনিময়কালে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ফরিদ হোসেন মিয়া, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য, রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমান।


Smiley face