সাবা’র কর্মীরা ছুটে চলেছে বানভাসি মানুষের দোয়ারে

17
Smiley face

দুঃখের রজনী যেমন শেষ হতে চায় না, তেমনি বানভাসি মানুষের কাছে এখন একেকটি দিন যেন দুর্বিষহ কষ্টের অনন্তকাল। বন্যায় অনেক দরিদ্র পরিবারের বাড়িঘর, সহায়-সম্পদ ও জীবন-জীবিকা ধ্বংসের মুখে। বহু রাস্তাঘাট, দোকানপাট, বসতভিটা, জমি-জিরাত ও ফল-ফসল বিলীন হয়ে গেছে। এঅবস্থায় রাষ্ট্র বা বিত্তশালী মানুষের কাছ থেকে খুব একটা সহযোগিতা পাচ্ছে না তারা। ফলে বন্যাকবলিত অঞ্চলের অসহায় বানভাসি মানুষ কতটা দুঃখ-কষ্টের মধ্যে পড়েছে, তা সহজেই অনুমেয়। তবে, পনিবন্দি দুখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সোশ্যাল এসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ এ্যাডভান্সমেন্ট (সাবা)।
সাবা নিজেদের সাধ্যমতো বানভাসি মানুষের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়েছে। তারা চাল, ডাল, তেল, লবণ এবং ওরস্যালাইন সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসমগ্রী নিয়ে শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সাবা’র নিষ্ঠাবান কর্মীরা পৌছে দিচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুয়ারে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৭ আগষ্ট বৃহস্পতিবার নওগাঁর মান্দা উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষদের সহযোগিতা করেছে সাবা। ৩দিনব্যাপী উপজেলার ২০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে সংস্থাটি। এমনকি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ২০ প্রতিবন্ধী পরিবারকেও সহযোগিতা করে। এদিন তারা মান্দার কালিকাপুর ইউনিয়নের শীলগ্রাম, পাকুরিয়া, বাথইল, জসরাই, মাউল গ্রাম ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে সহায়তা পৌঁছায়। ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সাবা রাজশাহী অঞ্চলের এস. এম. এমদাদুর রহমান ও আবদুল মুকিত। এছাড়াও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বিশিষ্ট সমাজসেবক নুরুল ইসলাম, মমতাজ হোসেন, আফতাবউদ্দিন, কসিমুদ্দিন, ইমরান আলি, জালালুদ্দিন, আবদুল হান্নান, খোরশেদ আলম, আলমগীর হোসেন, হাসান, শফিকুল ইসলাম, আলামীন, আবদুল খালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


Smiley face