লাশবাহী গাড়ির কফিন খুলতেই বেরিয়ে এলো দুই হাজার ফেনসিডিল

44
Smiley face

লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স। গাড়িটিতে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো চারটি মৃতদেহ সদৃশ্য কিছু! সেগুলো খোলার পরই সবার চোখ যেন চড়কগাছ। মৃতদেহ সদৃশ কফিন চারটি খুলতেই পাওয়া গেল দুই হাজার ফেনিসিডিল। লাশ পরিবহনের আড়ালে অভিনব পদ্ধতিতে মাদক চোরাকারবারের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতেনাতে ধরা পড়েন চারজন।

রবিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগের গণপূর্ত স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাহাবুবুল হাসান, হাসানুর রহমান সবুজ, মো. সোহেল মিয়া এমিল ও রোমন।

ডিবির গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহবুবুল আলম জানান, লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে তারা মাদকের চোরাচালান করছিল। বিশেষ কৌশল হিসেবেই তারা লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে সাদা কাপড়ে মোড়ানো লাশের আদলে ফেনসিডিলের চালান আনা-নেওয়া করত। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই তারা লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করত। আর লাশবাহী গাড়িটিকে একটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাস যাত্রী সেজে পেছন দিয়ে অনুসরণ করছিল।

মাহবুবুল আলম বলেন, লাশবাহী গাড়িতে মাদকের চালান আসছে এমন খবরে শাহবাগের গণপূর্ত স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে অভিযান চালানো হয়। পরে লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স তল্লাশি করে সাদা কাফনের কাপড়ে মোড়ানো ফেনসিডিল ভর্তি বস্তা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার চারজন কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব ফেনসিডিল এনে ঢাকায় বিক্রি করতো বলে জানান ডিবির গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার


Smiley face