ইউজিসির তদন্ত ও অভিযোগ প্রসঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন উপাচার্য আব্দুস সোবহান

12
Smiley face

বর্তমান উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতমূলক দাবি করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন উপাচার্য আব্দুস সোবহান।

প্রেস কনফারেন্স ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ , আপনারা আমার আহবানে এখানে উপস্থিত হয়েছেন এজন্য আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম জানাচ্ছি । সম্প্রতি বিমক তদন্ত কমিটি কর্তৃক দাখিলকৃত তদন্ত রিপাের্টের বরাত দিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় যে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে তা আমার নজরে এসেছে ।

তদন্ত প্রতিবেদনে কী আছে আমার জানা নেই , তবে প্রকাশিত খবরগুলাে জনমনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি – বিধান সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে আমার মনে হয়েছে । তাই এ বিষয়ে জাতি ও সরকারের কাছে আমার অবস্থান পরিস্কার করার দায় অনুভব করছি । তবে এ বিষয়ে কথা বলার পূর্বে আজকের এ অবস্থা সৃষ্টির পিছনের কিছু তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা প্রয়ােজন মনে করছি ।

দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত বড় বড় আর্থিক দূর্নীতি ও অনিয়ম যেমন – ঢাকাস্থ অতিথি ভবন ক্রয়ে ১৩ কোটি টাকা , কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে হেকেপ প্রকল্পের সাড়ে তিন কোটি টাকা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণে ৮০ লক্ষ টাকা তছরূপের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ডিকেট কর্তৃক তদন্ত কমিটি গঠনের পরপরই বর্ণিত অপকর্মের সাথে সংশ্লিষ্টরা আমার বিরুদ্ধে নিরন্তর অসত্য , বানােয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোেগ মজুরী কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে এবং পত্র – পত্রিকাসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে ।

আসলে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নামধারী কতিপয় দূর্নীতিপয়ন শিক্ষক নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার নিমিত্তেই সরকার ও স্বাধীনতা বিরােধী চক্রের যােগসাজসে আমার বিরুদ্ধে অসত্য অভিযােগসমূহ উত্থাপন করে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত ও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত , অন্য দিকে তেমনি সরকারকেও ব্ৰিত করছে । এরাই মূলতঃ ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অথরিটির নির্বাচনে জামাত – বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করে । প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ , আপনারা জানেন যে , রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর আলােকে সিনেট – সিন্ডিকেট প্রণীত স্ট্যাটিউট / অর্ডিন্যান্স মােতাবেক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় । বিভিন্ন সময় শিক্ষক নিয়ােগ নীতিমালা প্রয়োজনীয় সংশােধন / সংযোজন হয়ে বিশ্বদ্যিালয়ের সর্বোচ্চ নির্বাহী সংস্থা সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমােদনের পর তা কার্যকর হয় ।

বিভিন্ন সময়ে এই নিয়ােগ নীতিমালা প্রনয়ণের প্রয়ােজন ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি । ১৯৮৫ ও ১৯৯২ সালে প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত নিয়ােগ কার্যক্রম চালু ছিল ( সংযুক্তি -১ ) । কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গ্রেডিং পদ্ধতি প্রবর্তন হওয়ার পর সনাতন পদ্ধতির সাথে গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রাপ্ত জিপিএ সংযােজনপূর্বক শিক্ষক নিয়ােগ নীতিমালা ১০/০৫/২০১২ তারিখের সিন্ডিকেট সভায় অনুমােদিত হয় ( সংযুক্তি -২ ) ।

প্রফেসর মুহম্মদ মিজান উদ্দীন রা.বি. উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই নীতিমালা অনুযায়ী তিনি শিক্ষক নিয়ােগ দিয়েছেন । সাবেক এই উপাচার্য মহােদয় ২৯/১০/২০১৪ তারিখের সিন্ডিকেট সভায় তাঁর কন্যার এসএসসি , এইচএসসি ও স্নাতক ( সম্মান ) -শ্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ – কে ভিত্তি ধরে শুধুমাত্র ইংরেজি বিভাগের নিয়ােগ যােগ্যতা পুনর্নির্ধারণ করেন ( সংযুক্তি -৩ ও ৪ ) । এই যােগ্যতাতেই ইংরেজী বিভাগের অর্গানোগ্রামে প্রভাষক পদ না থাকলেও ২ টি প্রভাষক পদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২ টি প্রভাষক পদের বিপরীতে মাত্র ২ জন প্রার্থীর সাক্ষাক্তার নিয়ে ইংরেজী বিভাগে শুধুমাত্র তাঁর কন্যা রিদিতা মিজান – কে ২১/০৪/২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নিয়োগ দেন ( সংযুক্তি -৫,৬,৭ ও ৮ ) । প্রভাষক পদ না থাকা সত্বেও প্রভাষক পদ বিজ্ঞপ্তি প্রদানের মাধ্যমে নিয়োগদান যে বৈধ ও আইনসিদ্ধ হয়নি তা ৬ মাস পর নজরে এলে সাবেক উপাচার্যের ( মুহম্মদ মিজান উদ্দীন – এর ) নির্বাহী আদেশে তাকে ১১/১১/২০১৫ তারিখে দ্বিতীয়বার নিয়ােগপত্র ইস্যু করা হয় ( সংযুক্তি- ৯ ও ১০ ) ।

কিন্তু এটিও আইনসিদ্ধ হয়নি । উচিৎ ছিল অর্গানােগ্রামে বর্ণিত সহকারী অধ্যাপক / প্রভাষক পদ বিজ্ঞাপিত করে পুনরায় সাক্ষাকারের ভিত্তিতে তাকে নিয়োগদান করা । কিন্তু তা হয়নি , রিদিতা মিজানের নিয়ােগ তাই আইনত : অবৈধ । এখানে একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে , রিদিতা মিজান – কে ২০১৪ সালের নিয়ােগ নীতিমালা অনুযায়ী দ্বিতীয় নিয়ােগপত্র ইস্যুর ( ১১/১১/২০১৫ ) মাত্র ১০ দিনের মাথায় ২১/১১/২০১৫ তারিখের সিন্ডিকেট সভায় সকল বিভাগ ইনস্টিটিউটের জন্য অতি উচ্চ যােগ্যতা সম্পন্ন নিয়োগ নীতিমালা অনুমােদিত হয় ( সংযুক্তি -১১ ) । ২০১৫ নীতিমালা ( ইংরেজী বিভাগ- SSC – 4.50 , HSC – 4.50 , Hons . & MA একটিতে ৩.৫০ অন্যটিতে ৩.২৫ ) অনুযায়ী বিদিতা মিজান ( SSC – 4.19 , HSC – 4.30 , Hons . 3.25 & MA – 3.50 ) নিয়ােগের জন্য কোন আবেদনই করতে পারতাে না ।

সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মিজান উদ্দীনের সময় প্রণীত ২০১৫ সালের নিয়ােগ নীতিমালা অনুযায়ী আইন বিভাগ এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে শিক্ষক নিয়ােগের বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয় ( সংযুক্তি -১২ ও ১৩ ) । এই বিজ্ঞপ্তির আলােকে আইন বিভাগের তিনটি বিজ্ঞাপিত পদের বিপরীতে মাত্র ৫ টি আবেদন এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে ২ টি বিজ্ঞাপিত পদের বিপরীতে ৫ টি আবেদন পাওয়া যায় । উপযুক্ত বিজ্ঞাপিত পদের বিপরীতে অতি স্বল্পসংখ্যক আবেদনের কারণে উভয় বিভাগের সভাপতিদ্বয় বিভাগীয় পরিকল্পনা কমিটির বরাত দিয়ে ২০১৫ সালের শিক্ষক নিয়ােগের শিক্ষাগত যােগ্যতা শিথিল করার জন্য রা.বি. কর্তৃপক্ষ বরাবরর পত্র প্রেরণ করেন ( সংযুক্তি ১৪ ও ১৫ ) । এ ছাড়া অন্যান্য অনেক বিভাগও ২০১৫ নীতিমালায় বর্ণিত শিক্ষাগত যােগ্যতা শিথিল করা না হলে সেসব বিভাগে শিক্ষক নিয়ােগদান সম্ভব হবে না বলে মৌখিকভাবে জানায় ।

এসব অবস্থার প্রেক্ষিতে রাবি শিক্ষক সমিতি ২০ জুলাই ২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০১৫ সালের শিক্ষক নিয়ােগ নীতিমালা বাতিল করে পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০১২ সালের শিক্ষক নিয়ােগ নীতিমালাটি পুনর্বহালের জন্য রা.বি. কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করেন ( সংযুক্তি -১৬ ) ।

উপযুক্ত বিভাগীয় সভাপতিদ্বয়ের পত্র এবং রাবি শিক্ষক সমিতির অনুরােধপত্র ২৭/০৮/২০১৭ তারিখের ৪৭২ তম সিন্ডিকেট সভায় আলােচ্যসূচীভূক্ত করা হয় । অনেক আলােচনা – পর্যালােচনার পর এই সভার ৪৩ নং সিদ্ধান্তে রাবি শিক্ষক ( সহকারী অধ্যাপক প্রভাষক ) নিয়ােগ নীতিমালা পুন : প্রনয়নকল্পে উপ – উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহার নেতৃত্বে অনুষদ অধিকর্তা , সিন্ডিকেট সদস্য ও শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ মােট ০৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয় ( সংযুক্তি -১৭ ) । কমিটি বেশ কয়েকটি সভায় আলোচনা পর্যালােচনা পর প্রায় ৪ মাস অন্তে এতদসংশ্লিষ্ট একটি সুপারিশ প্রদান করেন ।

সুপারিশটি ৩০/১২/২০১৭ তারিখের সিন্ডিকেট সভার ১৩ নম্বর সিদ্ধান্তে বিবেচিত ও অনুমােদিত হয় , যেটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সহকারী অধ্যাপক প্রভাষক নিয়ােগ সংক্রান্ত সর্বশেষ নীতিমালা অর্থাৎ রাবি শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা -২০১৭ নামে অভিহিত ( সংযুক্তি -১৮ ) । প্রসংগত উল্লেখ্য যে রাবি শিক্ষক নিয়ােগের এই নীতিমালা সম্পর্কে বিভিন্ন পত্র – পত্রিকায় ও মিডিয়ায় অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানাে হয় । এই প্রেক্ষাপটে রা.বি. এর একজন শিক্ষক এই নীতিমালার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন ।

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশনের ফুল বেঞ্চে এই রিট পিটিশনের শুনানী শেষে রা.বি – এর পক্ষে আদেশ প্রদান করেন এবং রাবি শিক্ষক নিয়ােগে বর্তমান নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরলের  05 ( Write Petition No.6725 / 2019 , CPLA No. 3356/2019 ) ২০১৭ সালের নীতিমালা অনুযায়ী প্রায় ২৪ টি বিভাগে শিক্ষক নিয়ােগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় । এর মধ্যে ৬ টি বিভাগে নিয়ােগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও কোন মহল থেকে এই নীতিমালা সম্পর্কে কোন আপত্তি বা অভিযােগ উত্থাপিত হয়নি ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মেনে বিভাগ ও শিক্ষক সমিতির অনুরােধের প্রেক্ষিতে একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে নিয়োগ নীতিমালা প্রনয়ণ করা হলাে সেই নীতিমালাকে কীভাবে উপাচার্যের মেয়ে ( SSC – 5.00 , HSC – 4.30 , BBA – 3.650 & MBA – 3.708 ) ও জামাইকে ( SSC4.56 , HSC . 4.50 , BBA – 3.572 & MBA – 3.479 ) নিয়ােগ দেবার উদ্দেশ্যে প্রনয়ণ করা হয়েছে প্রচার করা হয় সে বিবেচনার ভার আপনাদের ওপরেই ছেড়ে দিলাম । প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ইউজিসি তদন্ত কমিটি যদি ” মেয়ে – জামাই – কে নিয়ােগদানের জন্য উপাচার্য নীতিমালা প্রনয়ণ করেছেন এমন মন্তব্য করে থাকে তাহলে সেই তদন্ত পক্ষপাতহীন হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় না ।

এখানে উল্লেখ্য যে , সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে লিখিতভাবে আমার মতামত জানতে চাইলে নিয়ােগ নীতিমালা প্রনয়ণের সামগ্রীক প্রক্রিয়া সবিস্তারে তথ্য প্রমানসহ আমি সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে দাখিল করেছি । কিন্তু প্রকাশিত খবরের ভাষ্য সঠিক হলে অনুমান করা যায় যে , তদন্ত কমিটি আমার দাখিলকৃত তথ্য প্রমানাদি আমলে নেয়নি । কোন কোন গণমাধ্যমে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হযেছে যে সংশ্লিষ্ট নিয়ােগ বাের্ড যে প্রার্থীদের ক্লাস নেবার পারদর্শিতা ( ডেমাে ) যাছাই করেছে , এমন প্রমান পাওয়া যায়নি ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাই যে , রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষক নিয়ােগের ক্ষেত্রে ডেমাে বা শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে প্রদর্শনীর আয়ােজনের রেওয়াজ নেই । নিয়োগ বাের্ড কেবলমাত্র আবেদনের যােগ্যতাসম্পন্ন উপস্থিত প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সকল যােগ্যতা যাচাই করে থাকে । প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ : যেকোন আমলযােগ্য অভিযােগের তদন্ত বাঞ্চনীয় । আমি তদন্তের বিপক্ষে নই । আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ যথাযথ হলে তা তদন্তে আমার একশতভাগ সম্মতি আছে । তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ প্রক্রিয়া / আইনসিদ্ধভাবে গঠিত পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে । এবিষয়ে আমি স্পষ্টভাবে গত ০৯.০৯.২০২০ তারিখে বিমক – এর মাননীয় চেয়ারম্যান মহােদয়কে পত্র দিয়ে জানিয়েছিলাম ।

আমি আশা করেছিলাম সেই পত্র বিবেচনায় নিয়ে চেয়ারম্যান মহােদয় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি । বরং আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি ইতােমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে । বলাবাহুল্য প্রতিবেদনটি ভাই একপেশে এবং পক্ষপাতমূলক । সুতরাং আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযােগসমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী জানাচ্ছি এবং এ বিষয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।

 


Smiley face