সেরা কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি

91
Smiley face

জাগো, ওঠো

দ্য কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড চালু হয় ২০১৫ সালে৷ উদ্যোক্তা ফটোগ্রাফার পল জয়নসন-হিক্স এবং টম সুলাম৷ লক্ষ্য ছিলো বিশ্বের বন্যপ্রাণীদের মজার ছবিগুলোর প্রচার৷ রেকুনের ঘুম থেকে জাগার পর আড়মোড়া ভাঙার এই ছবিটির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউপোর্ট নিউজের ফটোগ্রাফার চার্লি ডেভিডসন৷

সময়ের অসাধারণ সমন্বয়

এ বছরের প্রতিযোগিতায় সববিভাগের মধ্যে সেরা হয়েছেন মার্ক ফিটজ প্যাট্রিক৷ অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের লেডি এলিয়ট দ্বীপের সমুদ্র সৈকতের কাছে তোলা ছবিটি কেনো সেরা হয়েছে তা দেখলেই বুঝতে পারবেন৷

মাছ ধরা নিষেধ

ছয়টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হয়৷ এর মধ্যে তিনটি হল স্থলভাগের জীবন্ত প্রাণী, পানির নীচে বসবাসরত প্রাণী এবং উড়ন্ত প্রাণীদের ছবি৷ স্কটল্যান্ডের কার্কুডব্রাইট এর কাছে মাছরাঙা পাখির এই ছবিটি তুলেছেন স্যালি লয়েড জোনস৷

গভীর আলোচনা

অন্য তিনটি ক্যাটাগরি হল: ১৬ বছরের কম বয়সিদের তোলা ছবি, পোর্টফোলিও এবং শর্ট ভিডিও ক্লিপ৷ শিয়ালের সাথে ইঁদুরের কথোপকথোনের এই ছবিটি তুলেছেন আয়ালা ফিশাইমার৷ ইসরায়েলে ভ্রমণের সময় ছবিটি তুলেছেন তিনি৷ ছবিটি তোলার সময় তার মনে হয়েছে ইদুঁরটি তার প্রাণভিক্ষা চাইছে৷

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখো!

করোনার এই সময় এই ছবিটি যেনো সে কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে৷ শ্রীলঙ্কার এই টিয়াপাখিদের ছবি তুলে পুরস্কার জমিতেছেন পেটার শোচমান৷

কাঠবিড়ালির গান

ছবিটি দেখে সহজেই মনে হবে কাঠবিড়ালিটি দু’হাত জোর করে গান গাইতে পুরো আবেগ ঢেলে দিয়েছে৷ অসাধারণ এই ছবিটি তুলেছেন রোনাল্ড ক্রানিৎস৷ হাঙ্গেরির পশ্চিমাঞ্চলের শহর আগফালভায় ছবিটি তোলা৷ ছবিটির জন্য ‘পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন ক্রানিৎস৷

বাচ্চা হাতির ডিগবাজি

এ বছরের বিচারকদের মধ্যে ছিলেন ইংলিশ টেলিভিশন উপস্থাপক কেট হাম্বল, অভিনেতা ও কমেডিয়ান জহিউ ডেনিস এবং ওয়াইল্ডলাইফ বিশেষজ্ঞ উইল ট্রেভার্স এবং ১৭ বছরের পরিবেশরক্ষা কর্মী বেলা ল্যাক৷ চূড়ান্ত তালিকার ৪৪ জনের মধ্যে থেকে সেরা বাছাই করার কাজটা তাদের জন্য কঠিন ছিলো৷ নামিবিয়ায় বাচ্চা হাতির ডিগবাজির এই ছবিটি তুলেছেন টিম হার্ন৷

শেষ হাসি

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে উলুওয়াতু মন্দির দেখতে গিয়েছিলেন লুইস মার্টি৷ মন্দিরের চূড়ায় বসেছিল বানরটি৷ ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য চেষ্টা করার আগ মুহূর্তের ছবি এটি৷


Smiley face