সকল ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করছে সরকার: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

25
Smiley face

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, কোনো সম্প্রদায়কে পেছনে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রোববার সকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ৯০তম বোর্ড সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতার মূলনীতি যুক্ত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আদর্শ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়সমূহের কল্যাণ ও নিরাপত্তা বিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আমরা একটি সভ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সে লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবরদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত অনুদান যথাযথভাবে সময়মত বিতরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় ঢাকায় সার্বজনীন বৌদ্ধ শ্মশান নির্মাণ, ট্রাস্ট তহবিল বৃদ্ধি, ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে ‘আশ্রয়ন প্রকল্পে’ (জমি আছে ঘর নেই-তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণ) বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ হতে ২টি বাড়ি প্রদান বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান-১ রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ট্রাস্টি মো. নূরুল ইসলাম, ভাইস-চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া, ট্রাস্টি বাসন্তী চাকমা এমপি, ট্রাস্টি দয়াল কুমার বড়ুয়া, দীপক বিকাশ চাকমা, মং ক্য চিং চৌধুরী, থে মংলা রাখাইন, দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু ও ডালিম কুমার বড়ুয়া, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, প্যাগোডা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব জয়দত্ত বড়ুয়া অংশগ্রহণ করেন।


Smiley face