জন্মদিনে পাশে আছে রাজশাহীর কেক-পান্ডা

47
Smiley face

বিয়ে কিংবা জন্মদিনে রাজশাহী শহরে সকলের ভরসা এখন কেক-পান্ডা। কেক-পান্ডা রাজশাহীর স্হানীয় অনলাইন ডেলিভারি শপ।

বিয়ে, ম্যারিজ-ডে, জন্মদিন, সহ যে কোন শুভদিনেই রাজশাহী বাসির আশা, ভালোবাসা আর আস্হার যায়গা করে নিয়েছে  কেক-পান্ডা।

যে ভাবে যাত্রা শুরুঃ- করোনার মধ্যে আপদকালীন সময়ে সরাদেশে লকডাউনের মধ্যে সবাই যখন ঘর বন্দি ঠিক তখন রাজশাহী শহরের কিছু তরুন ঘরবন্দি মানুষকে আনন্দ দিতে শুরু করেন কেক-পান্ডা। সে সময় উৎসাহী মানুষের কাছ থেকে অনলাইন ও ফেসবুক পেজে অর্ডার নিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেক পৌঁছে দিয়েছে কেক-পান্ডা।

এমনি একজনের সাথে কথা হয় রাজশাহী নগরীর রামচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা আলিয়া রুপির সাথে তিনি জানান, তার ছেলে রাফসানের (১০) জন্মদিন ছিল গত সেপ্টেম্বর মাসে তখন আমি কেক নিয়ে বেশ দুঃশ্চিন্তায় পড়ে যাই। তখন খোঁজ পাই কেক-পান্ডার। তারপর অনলাইনে কেকের অর্ডার দেই। কেক-পান্ডা সময়মতো আমাদের কেকটি পৌঁছে দেয়। তখন আমার ছেলের আনন্দ দেখে খুশিতে আমার মন ভরে যায়।
রাজশাহী ছাড়া আমেরিকা ও লন্ডন সহ প্রবাসী অনেকেরই কেকের অর্ডার নিয়ে তা তাদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে পৌছে জন্মদানের আনন্দকে আরও স্মৃতিময় করেছে কেক-পান্ডা।

উদ্যোক্তার কথাঃ– কথা হয় কেক-পান্ডার উদ্যোক্তা সুলতান মাহমুদের সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনার সময়ে লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকতে পারে, কিন্তু জন্মদিন তো আর বন্ধ থাকেনা। সেসব কথা মাথায় রেখে আমরা কয়েকজন মিলে উদ্যোগ নেই স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্মদিনের কেক পৌঁছে দেব। সেই ভাবনা থেকেই কেক-পান্ডার জন্ম।

আপনারা চাইলে রাজশাহীর যে কোন দোকানের যে কোন ডিজাইনের কেকের অর্ডার করতে পারেন কেক-পান্ডায়।

যে ভাবে অর্ডার করবেনঃ- আপনি কেক-পান্ডার ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অর্ডার করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট https://www.cake-panda.com/

মোবাইল অ্যাপ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.stepupit.cakepanda

পেজের লিংক https://www.facebook.com/bdCakePanda/

প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন  ০১৮১০-৫৬৭৬৫৬ সুলতান মাহমুদ পলক।


Smiley face